রয়টার্সবাংলা খালি প্রতিনিধি
২২/০১/২০২৬ রোজ বৃহস্পতি বার
নোয়াখালীতে সেনাবাহিনী, র্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) যৌথ অভিযানে ১ হাজার ৩৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ৮০ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হলেও আরেকজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় দুইজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ৭টা থেকে ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত নোয়াখালী জেলার সুধারাম মডেল থানাধীন পূর্ব এওয়াজবালিয়া ইউনিয়নের সর্দার পাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নোয়াখালী মাইজদী সেনা ক্যাম্পের লেফটেন্যান্ট আতিক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর ডিএডি অমলেশ বাইন-এর নেতৃত্বে ২৭ সদস্যের একটি যৌথ রেইডিং টিম গঠন করা হয়।
অভিযানকালে পূর্ব এওয়াজবালিয়া এলাকার মাদক কারবারি মিল্লাত হোসেন (৪৩)-এর বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলে যৌথ বাহিনী তাকে আটক করে। তার কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে একই এলাকার আরেক মাদক কারবারি মোঃ সাগর হোসেন (২৪)-এর বসতঘরে অভিযান চালানো হলে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। ওই ঘর থেকে ১৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ৮০ হাজার টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মিল্লাত হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা চট্টগ্রাম জেলার ভোজপুর থানাধীন ধর্মপুর এলাকায়। তিনি বর্তমানে নোয়াখালীর পূর্ব এওয়াজবালিয়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। পলাতক আসামি মোঃ সাগর হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় ডিএনসি নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ক্রমিক নং ১০(ক) অনুযায়ী দুইটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।