২০শে মার্চ বৃহসপতিবার ২০২৫
রয়টার্স বাংলা ইন্টারন্যাশনাল ড্যাস্ক
ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূর সাগর।
শক্তিশালী মিসর পারে না। পরাশক্তি তুরস্ক পারে না। ফাঁকা বুলি দেয়া ছাড়া। সৌদি আরব তো পারেই না। কাতার, কুয়েত, ওমান, আরব আমিরাত পারেনা। জর্ডান, বাহরাইন, মরক্কো তারাও পারে না। আরব লীগ সম্মিলিতভাবেও পারে না।
এদিকে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, তিউনিসিয়া বাদ দিলাম। এরা নিজেরাই তো শেষ!
অথচ দূর্বল হুতি পারে। হিজবুল্লাহ পারে। বলুন তো কিসের কথা বললাম? হুতি বিদ্রোহী কারা জানেন তো? আরবের সবচেয়ে গরীব দেশ ইয়েমেনের শিয়া ইসলামপন্থী সামরিক সংগঠন। ১৯৯০-এর দশকে ইয়েমেনে উদ্ভূত হয়েছিল। এটি প্রধানত যায়দি শিয়াদের নিয়ে গঠিত। সংগঠনটির নাম মূলত নেতৃত্বদানকারী হুতি (হুসি) গোত্রদের থেকে এসেছে। হুতি বা হুসি আন্দোলনের জন্ম উত্তর ইয়েমেনের সাদা শহরে।
হিজবুল্লাহ চিনেন তো? আক্ষরিক অর্থে “আল্লাহর দল” অথবা “স্রষ্টার দল”)। লেবানন ভিত্তিক ইসলামপন্থী একটি রাজনৈতিক দল ও সশস্ত্র সংগঠন। এরাও শিয়া। তারাই লড়ে যাচ্ছে সুন্নী ফিলিস্তিনি মুসলিমদের জন্য।
অথচ কয়দিন আগেও ব্রুটাল সুন্নী সংগঠন আইএস দিয়ে শিয়া হত্যার উৎসব চলে। এইগুলা প্লানের অংশ। পশ্চিমা প্লান। জায়নিষ্ট ইহুদিদের প্লান। আরব বিশ্ব বুঝেও না বুঝার ভান করে।
কেন না বুঝার ভান করে? কারণ কি জানেন? এদের সবার গদি সরে যাওয়ার ভয়! ইরান একা লড়ে যাচ্ছে। কাউকে কাছে পাচ্ছে না। শিয়া বলে তাদের এমনিতেই কোনঠাসা করে দেয়া হচ্ছে।
শিয়া-সুন্নী পুরনো বিভেদ। ওইটাকেই কাজে লাগানো হচ্ছে। মুসলিম বিশ্ব ইংরেজদের ডিভাইড এন্ড রুল পলিসির ফাঁদে পড়েছে। বিগত কয়েক বছরে কত লাখ নিরীহ মুসলমানের জীবন শেষ হয়েছে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন সহ বেশ কিছু দেশে? কেন হয়েছে? ইন দ্যা নেম অব ইসলাম। আসল খেলা তো অন্য জায়গায়।
তবে জবাবদিহি করতে হবে মুসলিম বিশ্বের শাসকদের। এই জবাবদিহিতার গ্যারান্টি আছে। অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। নো ডাউট! হয়তো এপারে। নয় ঐপারে।