রয়টার্স বাংলা প্রতিবেদক
দেড় মাস পূর্বেও ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা। আর ছাত্রলীগের পতাকার তলে থেকে সীমাহীন চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসীসহ নানা ধরণের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে বেড়াতো। তবে বর্তমানে দল
খোলস পাল্টিয়ে বিএনপি নেতা বনে যাওয়ার চেষ্টায় করছে সেই সুবিদারা। আর সুবিদাবাদীদের কোনো দল নেই
গেল আগস্ট মাসে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পালিয়ে যায় আর এতেই বেশকিছু সুবিদাবাদী পাতি নেতারা সঙ্গে সঙ্গে খোলস পাল্টিয়ে কেউ বিএনপি, কেউ জামাত-শিবির বনে যাচ্ছে।
তাই গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর সুরাবাড়ি ছায়াতলা মার্কেট ব্যাপারী পাড়া এলাকার মো. লুৎফর রহমানের ছেলে আজহারুল ইসলাম সোহাগের কর্মকান্ডও এক প্রকার এমনটাই হতে চলেছে।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। শুধু ছাত্রলীগ করেই চুপ থাকেনি। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে বহু অভিযোগ। তিনি ছাত্রলীগ থাকাকালিন সময়ে সুরাবাড়ী ছায়াতল মার্কেট এলাকায় নিরীহ মানুষকে সীমাহীন জুলুম-অত্যাচার করেছে। তাঁর অত্যাচারে অতিষ্ঠিত এলাকাবাসী। অভিযোগ পাওয়া যায়, সোহাগ নিরীহ মানুষকে নাকি নানভাবে হয়রানিসহ ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা হাতে নিতেন বলে এলাকাবাসী জানায়
বর্তমানে আজহারুল ইসলাম সোহাগের বিরুদ্ধে নতুন করে আরো অভিযোগ উঠতে শুরু করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজেকে খোলস পাল্টিয়ে বিএনপি বনে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এতদিন ছাত্রীলীগের পতাকার তলে থেকে বিএনপি নেতাদের প্রতি জুলুম-অত্যাচার করা হলেও সোহাগের শখ বিএনপি জানা যায়।
বর্তমানে তিনি বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষকে হয়রানি এবং জুলুম করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা জানায়, সোহাগ এতদিন গাজীপুরের ছাত্রলীগ নেতা সন্ত্রাসী মাসুদ রানা এরশাদের প্যানেলে ছাত্রলীগ করতেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাবস্থায় সোহাগের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠিত ছিল। ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। বর্তমানে খোলস পাল্টিয়ে তিনি বিএনপি বিএনপি ভাব মনে হচ্ছে।

সুরাবাড়ি স্থানীয়রা অভিযোগ করে আরো বলেন, সোহাগ এতদিন আওয়ামী লীগের (ছাত্রলীগ) নাম ভাঙিয়ে নিরীহ মানুষকে পুলিশ দিয়ে নানা ভাবে হয়রানি করলেও বর্তমানে মনে হচ্ছে, তিনি বিএনপি নেতা। যদিও বিএনপি ক্ষমতায় আসেনি এরপরেও সোহাগের আচারণে মনে হচ্ছে তিনি বিএনপি বনে গেছেন। আর আগের মতই ক্ষমতার দাপট দেখানোর পায়তারা করছে।
এ ব্যাপারে আজহারুল ইসলাম সোহাগের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
তবে গাজীপুর মহানগর বিএনপি’র সভাপতি শওকত হোসেন জানান, বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে এমন যদি কেউ করে বা করার চেষ্টা করে প্রমান থাকলে আমরা ব্যবস্থা নেব।








