রয়টার্স বাংলা
স্টাফ রিপোর্টার পার্বত্য অঞ্চল
২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৫
রোজ সোমবার
আমি সেনা ইউনিফর্ম বদলে বিডিআর ইউনিফর্ম পড়ে ছদ্মবেশে সন্তু লারমাকে লৌহগং বিওপিতে রিসিভ করি ও হেলিকপটারে তুলে দেইহাসিনার সাথে দেখা করতে। আমার কোর্স মেইট মেজর শাহ আলম ছিল সেই ক্যাম্প কমান্ডার। তখন রাগে বিড় বিড় করে শাহ আলমকে বলছিলাম যে এই দেশদ্রোহীর বুকে এসএমজির পুরা ম্যাগাজিনটা খালি করতে ইচ্ছা হচ্ছে কিন্তু আফসোস যে দায়িত্ব পড়েছে তাকে নিরাপত্তা দেয়ার। সন্তু লারমা সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করতো না ও ভয় পেতো তাই তার দাবী ছিল যেন আশে পাশে কোথাও সেনা না থাকে। তাই মেজর শাহ আলমের বিডিআর এর ইউনিফর্ম পড়ে ছিলাম ও আমার অধীনে আমার কোম্পানির আরও ২০ জন শক্তিশালী সেনা ছিল বিডিআর এর ইউনিফর্মে।
বাংলাদেশকে পাকিস্তান থেকে আলাদা করে ভারতের মানচিত্রে নেয়ার ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর পরিকল্পনা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের আরও বহু আগেই করা হয়। তবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে আলাদা করার বীজ বপন করে শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে তথাকথিত শান্তি বাহিনীর সন্তু লারমার মত এক ভয়ংকর দেশদ্রোহীর সাথে অশান্তি চুক্তি করে। যেই অশান্তি এখন পার্বত্য চট্টগ্রামে চলছে। হাসিনার শাসন আমলে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বহু সেনা ক্যাম্প উচ্ছেদ করে পরিকল্পতি ভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার শক্তিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে দুর্বল করে দেয়া হয়। সেই সব সেনাকে বাংলাদেশের অন্যত্র অঞ্চলে এনে আস্তে আস্তে যুদ্ধের প্রশিক্ষন থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হয়। ডিজিএফআই ও এনএসআইকে ব্যস্ত রাখা হয় হাসিনা ও ভারত বিরোধীদের দমন ও নিপীড়নে। ১৬ বছরে গোয়েন্দা সংস্থা গুলার প্রশিক্ষন ও মন মানসিকতা গড়ে উঠে ব্যাক্তি পর্যায়ে দমন নিপীড়ন ও নিয়ন্ত্রন, আর হাড়িয়ে যায় স্বাধীনতা রক্ষার গোয়েন্দা তৎপরতা। দেশের অন্য স্থানে ও বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাংলাদেশের গোয়েন্দা তৎপরতা ভয়ংকর রকম দুর্বল হয়ে পরে আর অন্য দিকে ভারতের গোয়েন্দা তৎপরতা বেড়ে যায় ও চলতে থাকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রশিক্ষন ও সংস্থা গুলাকে শক্তিশালী করা। হাসিনা সন্তু লারমাকে মন্ত্রিত্বের পদে বসিয়ে এই দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকে আরও শক্তি যোগায়। আস্তে আস্তে কৌশলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে অভিজ্ঞ সেনা অফিসারদেরকে করা হয় গুম, খুন ও চাকুরী থেকে বিদায় (যেমন ব্রিঃজেঃ আজমি, লেঃকঃ হাসিন ইত্যাদি)। এখনো পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে অভিজ্ঞ কিছু অফিসার আছে কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে গত ১৬ বছরে তাদের ভারতীয় ও আওয়ামীকরন করা হয়ে গেছে। এই বিষয়ে উস্তাদ ও অভিজ্ঞ মেঃজেঃ ইব্রাহীমও শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয়ে যায়।
এখনো সময় আছে হাড়িয়ে যাওয়া শক্তি ও স্বাধীনতা উদ্ধারের। সেনা ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির সাথে সাথে অভিজ্ঞ অবসর প্রাপ্ত অফিসারদেরকেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক বিভিন্ন কমিটিতে যোগ করা ও তাদের উপদেশকে মুল্যায়ন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা শক্তি ও তৎপরতা বৃদ্ধি করা। একই সাথে পশ্চিমা এনজিও সংস্থা দিয়ে পরিচালিত সকল তথাকথিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গুলাকে কড়া গোয়েন্দা নজরদাড়িতে আনা। হাতে সময় কম তাই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। নিরাপত্তা বিষয়ে মূর্খ ও অনভিজ্ঞ ডঃ খলিলরা এসব বুঝবে না। তাই এই কাজ আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এখানে রাওয়াও (RAOWA (Retired Armed Forces Officers’ Welfare Association) উল্লেখ যোগ্য ভুমিকা রাখতে পারে চাইলে। দল, সংস্থা যার যার কিন্তু স্বাধীনতা আমাদের সবার ও রক্ষার দায়িত্বও সবার।
@topfans Bangladesh Islami Chhatrashibir Chief Adviser GOB Bangladesh Jamaat-e-Islami Ministry of Foreign Affairs, Bangladesh Free Bangladesh – Global NRB Freedom Fighters’ Network Private University Students Alliance of Bangladesh – PUSAB Bangladesh Nationalist Party-BNP Tarique Rahman Asif Mahmud Shojib Bhuyain Chittagong Tribune পার্বত্য চট্টগ্রামের গণলাইন Daily Jugantor Daily Manab Zamin Prothom Alo The Daily Star Jonotar Kantho Daily Amar Desh