রয়টাটার্স বাংলা সন্ধান
৭/৯/২০২৪
আলু ব্যবসায়ী খোকন পোদ্দার বলেন, এবার আমি ৭ লাখ টাকার আলু কৃষকের কাছ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে বস্তা (৫০ কেজি) কিনেছি। এতে কেজিপ্রতি দাম পড়ে ২৮ টাকা। কিছুদিন পর ১৭শ-১৮শ টাকা দরে বিক্রি করেছি। তিনি বলেন, একাধিকবার হাত বদলের কারণে খুচরা বাজারে গিয়ে আলুর দাম বেশি হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসেদ মোল্লা বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আমাদের মিটিং হয়েছে। আমরা বলেছি, কৃষকদের কাছ থেকে আমরা ৩৫ টাকা কেজি দরে আলু কিনেছি, যা কোল্ড স্টোরেজের খরচ দিয়ে ৪০ টাকা পড়েছে। আমরা কোল্ড স্টোরেজ থেকে ৪২ থেকে ৪৪ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করে থাকি। মুক্তারপুর কোল্ড স্টোরেজগুলো থেকে সদরের বিভিন্ন বাজারে আলু পরিবহনে কেজিপ্রতি খরচ হয় ১ টাকা। কিন্তু তারা ১০ টাকা ১৫ টাকা বেশি দরে আলু বিক্রি করছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এক বছর পুঁজি খাটাইয়া যেই ব্যবসা করতে না পারি, বাজারের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এর চেয়ে বেশি ব্যবসা করে।’